ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ , ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ বন্যা-পাহাড়ধসে সামগ্রিক প্রস্তুতি রয়েছে, বড় ধরনের আশঙ্কা নেই : ত্রাণমন্ত্রী আর মুক্তি নয়, মা-বাবার ঘরে ফেরাই এখন তরুণদের ট্রেন্ড লাখো মানুষের ঢল, সম্পন্ন হলো খামেনির জানাজা ৪২ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টি চট্টগ্রামে ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও ভোট কবে, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ৬ দিনে এসেছে ৮৫৪৩ কোটি টাকা রেমিট্যান্স বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় ঢামেকের অবদান জাতীয় গর্বের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ২৩, আহত শতাধিক ‘১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেও মাথা নোয়াইনি’ হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৩৩ চট্টগ্রামে হবে চাইনিজ ইকোনমিক জোন: অর্থমন্ত্রী বান্দরবানে অস্ত্রসহ কেএনএফ সদস্য গ্রেপ্তার ‘আমি যদি মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম...’ আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির জানাজা : বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানালেন স্পিকার ব্রাজিলের কাছে এখনও যে সমীকরণে পিছিয়ে আর্জেন্টিনা থেমে যেতে পারে আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচ কেপ ভার্দে ম্যাচে যেসব রেকর্ড হতে পারে মেসি-স্কালোনি-আর্জেন্টিনার
বিডিআর বিদ্রোহ

বিস্ফোরক মামলার শুনানি আজ, আদালত বসছে কেরানীগঞ্জে

  • আপলোড সময় : ১৯-০১-২০২৫ ০৯:১৮:১৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৯-০১-২০২৫ ০৯:১৮:১৪ পূর্বাহ্ন
বিস্ফোরক মামলার শুনানি আজ, আদালত বসছে কেরানীগঞ্জে
পিলখানায় ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলার জামিন শুনানি এবং সাক্ষ্যগ্রহণ আজ রোববার (১৯ জানুয়ারি) শুরু হচ্ছে। কেরানীগঞ্জে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন অস্থায়ী আদালতে এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে, মামলার বিচার কার্যক্রম বকশীবাজারে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে পরিচালিত হয়। তবে ৫ আগস্ট আদালতের অবকাঠামো ভাঙচুরের পর এবং গত ৮ জানুয়ারি অস্থায়ী আদালতের কক্ষ অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আইন মন্ত্রণালয় কেরানীগঞ্জ কারাগার সংলগ্ন অস্থায়ী ভবনকে আদালত হিসেবে ঘোষণা করে।

বিস্ফোরক আইনের মামলায় বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া এবং পাবলিক প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন দায়িত্ব পালন করবেন।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এই ঘটনায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। বিস্ফোরক মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিচার শুরু হয় ২০১০ সালে। তবে পরে হত্যা মামলার ওপর অগ্রাধিকার দিয়ে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।

বিস্ফোরক আইনের মামলায় বিচারকাজ ঝুলে থাকার কারণে ৪৬৮ জন আসামির মুক্তি আটকে আছে, যদিও তারা হত্যা মামলায় খালাস পেয়েছেন বা সাজা ভোগ করেছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, অনেককে ঘটনাস্থলে না থাকলেও আসামি করা হয়েছে। এমনকি ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে থাকা সদস্যদেরও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার কারণে আসামিদের জীবন প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে।

রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, সুবিচার নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিক। আদালত সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অস্থায়ী আদালত নিয়ে জটিলতা কেটে যাওয়ার ফলে বিচার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন হবে।

জামিন শুনানির খবরকে কেন্দ্র করে আশায় বুক বেঁধেছেন ৪০০ বিডিআর সদস্যের পরিবার। মামলার সুরাহার মাধ্যমে তারা মুক্তি পাবেন বলে আশা করছেন।

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ

৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ